Friday, August 9, 2019

কবিতা: ধর্ষণের প্রতিবাদ

মিনহাজউদ্দিন মন্ডল

দিনে দিনে বাড়ছে ধর্ষণ
দেখে না তো  কেউ ।
অবুঝ শিশু বাদ যায়নি
এখন  জামু  কই ।

মায়ের পরে মেয়ে ধর্ষণ
বিধবাদের  নেই তো ছাড় ।
এ সমাজে  বাস করিতে 
মন কাদে  যে বারে বার ।

ধর্ষক বেটা বেজায় পাজি
মানে না তো  আইন ।
আইনের চোঁখকে ফাঁকি দিয়ে
মনের সুখে ধরে  গান ।

ধর্ষকের তো হয় না  বিচার
জনগন করে হায় হায় ।
আইনের লোকে পায় না খুঁজে
বিচারক  হয় নিরুপায় ।

ধর্ষন নামের এই ব্যধিটি
বেড়ে  গেছে  জগতময় ।
আসেন সবাই হই সচেতন
ধর্ষক  ধরে ঘার মটকাই ।

কবিতা: উপকারী ফলের ছন্দ

মিনহাজউদ্দিন মন্ডল

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
কামরাঙা ফল খাবে,
ফলটার প্রচুর ঔষধী গুণ
তাই উপকার পাবে।

রক্ত চাপও নিয়ন্ত্রণে
রাখে যে ওই ফলে,
সর্দি, কাশি, জ্বরের কাজ হয়
প্রভুর রহমত বলে।

গর্ভবতী মায়ের ভুকে
ফুটি গুণী ফল,
জামরুল ফলে এগারো গুণ
শির রাখে শীতল।

ক্যান্সারেরই ঝুঁকি রোধে
জলপাইয়ে হয় কাজ,
লিভার অসুখ চালতায় সারে
ফলটি স্বস্তির তাজ।

মিনারেলের ঘাটতি পূরণ
করে পাকা গাবে,
ওজন ধসে ডুমুর ফলটা
যতো পারো খাবে।

কুল ফলেরই গুণের কথা
সকলেরই জানা,
ভিটামিন যে আছে এ, বি
সারবে যে রাত কানা।

আম হলো যে ফলের রাজা
রাজশাহীতে বেশি,
আম খেলে ত্বক চকচকে হয়
করো আমে খেশি।

পেয়ারা ও আমলকি
মুখে রুচির জয়,
দাঁতকে করে শক্ত মজবুত
দূর করে তার ক্ষয়।

ডাবের পানি মিষ্টি মধুর
তরমুজ আনার তাই,
এ ফল গুলো গ্রীষ্মকালে
বেশি খাওয়া চাই।

তেঁতুল, লিচু , আতা, আমড়া
পানি যুক্ত ফল,
মালটা,কমলা,আপেল,সফেদা
সচল রাখে নল।

ডেউয়া ফলে পুষ্টির অভাব
খেলে পূরণ করে,
লটকন ফলে প্রচুর আমিষ
রাখো তবে ঘরে।

আনারস ফল জ্বরের ঔষধ
সঠিক উপযোগী,
জাতীয় ফল কাঁঠাল খেলে
উপকার পায় রোগী।

কাগুজি-লেবু, জাম্বুরাতে
রয় ভিটামিন সি,
বেল-কতবেল, পেঁপে, কলা
গায়ে দেয় এসি।

হার্টের রোগে ফলের রানি
উপকার দেয় ভালো,
কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর করিয়া
বাড়ায় চোখের আলো।

খেজুর একটি সুন্নাতি ফল
নবীর ছিল প্রিয়ো,
বদহজমি পেটের রোগে
ফলটা খেতে দিয়ো।

স্মৃতি শক্তি প্রখর রাখে
পাকা কালো জাম,
গ্রীষ্মকালে পাকে এ ফল
কী চমৎকার নাম!

স্বর্গীয় ফল নাম বেদানা
গর্ভে রঙিন দানা,
পাতা থেকে মূল পর্যন্ত
দেয় শতো রোগ ফানা।

গর্ভপাতের রোগ নিবারণ
হয় বেদানার ফুলে,
পাক-পবিত্র না হয়ে কেউ
যেও না তার কূলে।

জেনে-বুঝে জীবন ধারায়
ফলকে করো অন্ন,
ফলের চারা রোপণ করে
হও রে ভবে ধন্য।

কবিতা-সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি


  মিনহাজউদ্দিন মন্ডল
--------------------------------------
জীবন দিয়ে বীর বাঙ্গালী
দেশটা গেছে রেখে,
মন জুড়িয়ে যেতো মোদের
সোনার বাংলা দেখে।

ছিলো না এই দেশে কোনো
সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি,
সোনার বাংলা সোনার মতো
ছিলো পরিপাটি।

স্বাধীন ভাবে মা বোনেরা
চলতে রাস্তা ঘাটে,
বুক ফুলিয়ে ছেলে মেয়ে
যেতো শিক্ষা পাঠে।

রক্ত দিয়ে গড়া এ দেশ
নেই'তো আগের মতো,
খুন ধর্ষণ আর রাহাজানি
চলছে অবিরত।

জোরগলাতে করছে যারা
দেশ প্রেমিক আজ দাবী,
তাদের হাতে রয়েছে সব
সন্ত্রাসীদের চাবি।

কবিতা: জাগতে হবে

    মিনহাজউদ্দিন মন্ডল

বাঁচতে হলে জাগতে হবে
বিশ্ব ভুবন মাঝে,
ঘুমের মাঝে নয় কাটানো
জীবন লীলার সাঁঝে।

ঘুমের ভাবে ঘুমিয়ে রইলে
উন্নতি নাহি হবে,
অমর হতে জনতার মাঝে
প্রতিভা জাগাতে হবে।

সাধনা ছাড়া কোনদিনই
সাধক নাহি হয়,
মৃতের মত থাকলে পরে
কেউ চিনিবার নয়।

চিনতে হলে হুঙ্কার মেরে
সত্যের পথে দাঁড়াও,
সত্যের পথে জাগতে হলে
ঘুমিয়ে নাহি রও।

কবিতা: হায়নার ফাসি

কবি: মিনহাজউদ্দিন মন্ডল

আর হয় না ইচ্ছে আমার
দেখতে টিভি খবর,
খুললে টিভি যাচ্ছে দেখা
হচ্ছে শিশুর কবর।

কালো মেঘে আসছে তেড়ে
হায়না যেন যাচ্ছে বেড়ে
শিশুদের সব করছে ধর্ষণ
নিচ্ছে জীবন কেড়ে।

বায়ান্নতে দিয়েছি প্রাণ
একাত্তরে রক্ত
মায়ের বুকে নখ বসাবে
এই ছিল কী শর্ত?

মেয়ে কিংবা ছেলে শিশু
বাদ যাচ্ছে না কেউ
সারা দেশে বইছে যেন
রক্ত বন্যার ঢেউ।

ও বাংলা মা, কেমন করে
জন্মিল এই হায়না?
কত করবে রক্ত ক্ষরণ?
আর তো সহ্য হয়না।

ও বাংলা মা, লাগাম টানো
থেকো না চুপ করে,
সম্মান তোমার যাচ্ছে উড়ে
ফেলে দাও ওদের ভাগাড়ে।

শিশুর দেহ ব্যবচ্ছেদে
দিচ্ছ কেন সুযোগ?
ফাঁসিতে হায়না দাও ঝুলিয়ে
বুঝুক সবাই বুঝুক।

কবিতা : #চন্দ্রাভিযান#


✍মিনহাজউদ্দিন মন্ডল

ওই দ্যাখ দাদা ওটা কিরে !
হুশ্ ক‍রে যায় আকাশ পানে ,
জ্বলছে আগুন আঁচের মোতো
ঘুড়ির মোতোন হাওয়ার টানে !

পাগলী বুনু কি বুকা তুই !
ওটা আছে রকেট বটে ,
সোজা উঠে চাঁদে যাবে
ঘুড়ি টুড়ি নয়কো মুট‍্যে !

হিথায় যেমন ট্রেণ চলে
তেমনি ওটা হাউয়ায় ভাসে ,
যাদের ওনেক টাকা তারা
চাঁদের থেক্য ঘুরে আসে ।

সত‍্যি রকেট চাঁদে যাবে !
আমার মা তো চাঁদের ঘরে ;
বলনা মাকে কেমন হবে
আসবে ফিরে ওটাতেই চড়ে ?

ছোট্ট দাদা বোনকে জড়ায়
হাঁ মুখে দেয় শুকনো রুটি ,
পাঠালাম তো আনতে মাকে
এবার তুই ঘুমা পুটি।

দরমা ঘরে চাঁদের আলো
দুহাত দিয়ে লজ্জা ঢাকে ,
টিপ দিতে যায় চাঁদ ও ভাবে
কেমন করে ফেরাই মাকে !!

Pranab Mukherjee to get Bharat Ratna today ভারতরত্ন পাচ্ছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়! ১৩ তম রাষ্ট্রপতির মুকুটে নতুন ...

ভারতরত্নে ভূষিত প্রণব মু্খোপাধ্যায়! রাষ্ট্রপতি ভবনে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ভিড়:--
Reported By Minhajuddin Mondal

Ideal English Institute, 9th Aug: রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়
 বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এদিন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির হাতে এই সম্মান তুলে দেন
এটি দেশের সর্বোচ্চ সম্মান
উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক ব্য়ক্তিত্বরা
রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এদিন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির হাতে এই সম্মান তুলে দেন। এটি দেশের সর্বোচ্চ সম্মান। এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ রাজনাথ সিং, লালকৃষ্ণ আডবানি, অমিত শাহ এবং আরও অনেকে।

ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হওয়ার পরে নরেন্দ্র মোদী, রাজনাথ সিং, অমিত শাহের সঙ্গে করমর্দন করেন দেশের ১৩ তম রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। গত জানুয়ারি মাসেই তাঁর নাম পাঠানো হয়েছিল মনোনয়নের জন্য। কিছুদিন আগে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে প্রকাশিত বিবৃতি থেকে জানা যায়, এবার ভারতরত্ন পাচ্ছেন প্রণব মুখোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে ছিলেন প্রণব। এর আগে কংগ্রেস সরকার থাকাকালীন টানা দায়িত্বপূরণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। পিভি নরশিমা রাও, রাজীব গান্ধী, ইন্দিরা গান্ধী, মনমোহন সিং, এই চার প্রধানমন্ত্রীর সরকারেই গুরু দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি।

এর পরে ১৯৯৫ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত প্রণব মুখোপাধ্যায় বিদেশমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রীসভায় ছিলেন তিনি। ২০০৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। এর পরে আবার ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি বিদেশমন্ত্রী পদে নিযুক্ত হন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ পর্যন্ত অর্থমন্ত্রীর পদে ছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়।